মোহনবাগান ফেভারিট হয়েই ম্যাচটা শুরু করেছিল। ফাইনালে যেতে এই হোম-ম্যাচটায় বড় জয় লাগতই। কিন্তু সেই কাজটা যে এত অনায়াসে করে ফেলবে টিম, সে কথা বোধহয় অতি বড় মোহন-সমর্থকও ভাবেনি। যেই টিমটা কদিন আগে কলকাতার অপর এক প্রধানকে টানা তিনবার পরাস্ত করলো, তাদের নিয়ে এরকম ছেলেখেলা করে ৫-০ ব্যবধানে জয় সত্যি অভাবনীয় ব্যাপার। এই জয়ের ফলে কার্যত ফেড কাপ ফাইনালে পৌঁছেই গেলো সোনি-কাতসুমিরা। ১৪ তারিখ শিলঙে অ্যাওয়ে ম্যাচটি বাগানের কাছে এখন বলতে গেলে নিয়ম্রক্ষার হয়ে দাঁড়ালো। তবে এই ছন্দটা শেষ অবধি ধরে রাখতে হবে তা মোহন-সারথী সঞ্জয় সেন ভালোই জানেন। রানার্সদের কেউ মনে রাখে না। আর আপাতত ট্রফিহীন মরসুমে এই ফেড চাম্পিয়ন হওয়াটা তাই সবুজ-মেরুন শিবিরের কাছে অত্যন্ত জরুরি। আজ জেজেদের টিম গেম থেকে যেন সেই সত্যিকার চাম্পিয়নের প্রত্যয়টাই ঠিকরে বেরোল।
খেলার শুরু থেকে মোহনবাগানেরই দাপট ছিল বেশি। দেবজিত সহ দলের ডিফেন্সকেও যথেষ্ট সাবলীল লেগেছে। তবে প্রথম গোলটি পেতে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে সোলো রান দিয়ে ঢুকে বিপজ্জনকভাবে বক্সের কাছ থেকে অনবদ্য দূরপাল্লার শট লাজং গোলরক্ষক বিশাল কৈঠ কোনক্রমে ফিস্ট করলে দারুণ ফলো করে জেজে দুরদান্ প্লেস করে ১-০ করে্ন। হাফ-টাইমের ঠিক আগে একটি পরিকল্পিত মুভ থেকে জোরালো শটে ২-০ করে ফেলেন বিক্রমজিত। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আরো জাঁকিয়ে বসে মোহনবাগান। পেন যাও বা প্রথমার্ধে খানিকটা সক্রিয় ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে বিক্রমজিতের বিক্রমে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। সোনির স্কিল, দৌড় সাথে কাতসুমি, প্রণয়দের নাছোড় মনোভাবের সামনে তখন দিশেহারা হয়ে পরে লাজং মাঝমাঠ ও রক্ষণ। সেই সুযোগে দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের মধ্যেই পরপর আরো দুটি গোল করে নিজের হ্যাট্রিকটি সেরে ফেলেন জেজে। তবে জেজের দ্বিতীয় গোলটির ক্ষেত্রে গ্লেনের অবদানই সবচেয়ে বেশি ছিল। ৪-০তে দল এগিয়ে যাওয়ায় গ্যালারিতে তখন স্বস্তি এবং উতসবের পরিবেশ। কারণ ম্যাচের ভাগ্য তখনই মোটামুটি নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং এই মরসুমের এটাই শেষ বারাসাতে ম্যাচ। খেলার ৮৭ মিনিটে সোনির অসাধারণ মায়নাস থেকে বাঁ পায়ের ফ্লিকে দারুণ গোল করে শিংটোদের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন গ্লেনের পরিবর্তে নামা তরুণ আজহারউদ্দিন মল্লিক।
আরো গোল করার মত পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন গ্লেন-জেজেরা। হয়ত আগামী কদিনের কথা ভেবে সেই হিসেবগুলো তোলা থাকল। তবে এই বিশাল জয় যে টিম মোহনবাগানকে এএফসি কাপ ও ফেড কাপের পরের ম্যাচগুলোতে ভালো খেলতে দারুণ উদ্বুদ্ধ করবে, তা বলাই যায়।
# আমার ব্যক্তিগত ধারণা যে বেঙ্গালুরু, ইস্টবেঙ্গলের মত হেভিওয়েট টিমগুলো ইতিমধ্যেই ফেড থেকে বিদায় নেওয়ায় অনেক বেশি ফ্রি-ফ্লোয়িং ফুটবল খেলতে পারছে মোহনবাগান।
খেলার শুরু থেকে মোহনবাগানেরই দাপট ছিল বেশি। দেবজিত সহ দলের ডিফেন্সকেও যথেষ্ট সাবলীল লেগেছে। তবে প্রথম গোলটি পেতে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে সোলো রান দিয়ে ঢুকে বিপজ্জনকভাবে বক্সের কাছ থেকে অনবদ্য দূরপাল্লার শট লাজং গোলরক্ষক বিশাল কৈঠ কোনক্রমে ফিস্ট করলে দারুণ ফলো করে জেজে দুরদান্ প্লেস করে ১-০ করে্ন। হাফ-টাইমের ঠিক আগে একটি পরিকল্পিত মুভ থেকে জোরালো শটে ২-০ করে ফেলেন বিক্রমজিত। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আরো জাঁকিয়ে বসে মোহনবাগান। পেন যাও বা প্রথমার্ধে খানিকটা সক্রিয় ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে বিক্রমজিতের বিক্রমে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। সোনির স্কিল, দৌড় সাথে কাতসুমি, প্রণয়দের নাছোড় মনোভাবের সামনে তখন দিশেহারা হয়ে পরে লাজং মাঝমাঠ ও রক্ষণ। সেই সুযোগে দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের মধ্যেই পরপর আরো দুটি গোল করে নিজের হ্যাট্রিকটি সেরে ফেলেন জেজে। তবে জেজের দ্বিতীয় গোলটির ক্ষেত্রে গ্লেনের অবদানই সবচেয়ে বেশি ছিল। ৪-০তে দল এগিয়ে যাওয়ায় গ্যালারিতে তখন স্বস্তি এবং উতসবের পরিবেশ। কারণ ম্যাচের ভাগ্য তখনই মোটামুটি নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং এই মরসুমের এটাই শেষ বারাসাতে ম্যাচ। খেলার ৮৭ মিনিটে সোনির অসাধারণ মায়নাস থেকে বাঁ পায়ের ফ্লিকে দারুণ গোল করে শিংটোদের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন গ্লেনের পরিবর্তে নামা তরুণ আজহারউদ্দিন মল্লিক।
# আমার ব্যক্তিগত ধারণা যে বেঙ্গালুরু, ইস্টবেঙ্গলের মত হেভিওয়েট টিমগুলো ইতিমধ্যেই ফেড থেকে বিদায় নেওয়ায় অনেক বেশি ফ্রি-ফ্লোয়িং ফুটবল খেলতে পারছে মোহনবাগান।
...
শুভাগত চন্দ্র

No comments:
Post a Comment