"মায়ে মেরেছে, ঘরেও ভাত নেই।" আজ দলের খেলা দেখতে দেখতে এই
প্রাচীন প্রবাদবাক্যটাই বারব্রার মনে পড়ছিল। ৯০ মিনিট অবধিও গোলের রাস্তা খুলছে না,
গ্লেন
উঠে যেতে গোল করার লোকও সেরকম নেই, সোনির অনুপুস্থিতিতে গোলের জন্য ফাইনাল
পাশ বা মাইনাস বাড়াবার কেউ নেই। যে আছে, সেই জেজে যেন নিজেরই
ছায়া। ন্যাশনাল ডিউটি থেকে এসে ফর্ম হাতরে বেড়াচ্ছে। সাথে নিজেদের লুসিয়ানোহীন ডিফেন্সের যা
ছিরি, কাউন্টার অ্যাটাকে আর একটা খেয়ে গেলে অবাক হবার কিছু নেই। ফলত,
এবারের
এএফসি কাপে প্রথম নিশ্চিত হারের দিকে এগোচ্ছিলুম। কিন্তু ফুটবল দেবতা বোধহয় আজ
অন্যরকম কিছু ভেবে রেখেছিলেন। একেবারে ৯৪ মিনিটে এই বছরের অন্যতম সেরা আবিস্কার
প্রবীর দাসের দুরন্ত ক্রস থেকে সেই জেজের দারুণ ফ্লিক-হেডে গোল। যাক, শেষমেশ যে অতি
প্রয়োজনীয় একটি পয়েন্ট নিয়ে টিম ফিরতে পারছে, এটাই বড় প্রাপ্তি।
সেইসঙ্গে অক্ষুণ্ণ থাকছে বাগানের অপরাজিত আখ্যা এবং গ্রুপের শীর্ষস্থান। তবে এই
ম্যাচ আরো একবার দলের নানা দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, যেগুলো এখুনি না
শুধরোলে কপালে বেশ দুঃখ আছে। আর খেলোয়াড় বদলগুলো যেন ফের কিছুটা বিলম্বিত হল আজ। সুবাসের জায়গায় প্রবীর ও বিক্রমজিতের জায়গায় লেনি নামতেই কার্যত আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ে। তবে রাইট ব্যাক রাজু যথারীতি বিপক্ষের খনি হয়ে ওঠেন। মাজিয়ার ভেদশক্তি দুরবল হওয়ায় আর বিপদ বাড়েনি।
নিঃসন্দেহে এই ফল বাগানকে আসন্ন ফেড কাপের জন্য ভরসা দেবে। তবে, সোনি ও গ্লেনদের চোটও কিছুটা চিন্তায় রাখবে। এএফসি কাপে মোহনবাগানের পরের ম্যাচ গুয়াহাটীতে ১১ই মে সাউথ চায়নার বিরুদ্ধে। আপাতত তাদের সংগ্রহ ৫ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট ।
...
শুভাগত চন্দ্র
...
শুভাগত চন্দ্র
No comments:
Post a Comment