একপশলা বৃষ্টিতে ভ্যাপসা গরম থেকে কিঞ্চিত স্বস্তি। বহুকাঙ্খিত ভোটের ফল প্রকাশিত। এবার ভাবার সময় শুধুই আমাদের মোহনবাগান নিয়ে। আমরা জানি কালকের ম্যাচটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ আর এই ফেডারেশন কাপটা জেতা কতটা জরুরী। তেরোর গেরো কাটিয়ে চোদ্দতম ফেডটা চাই। আর না হলে এই মরসুমটা ফের ট্রফিহীন থাকতে হবে সেই ২০১০-১৪ পাঁচটা মরসুমের মত।
প্রতিপক্ষ আইজল। নামে, ধারে, ভারে অবশ্যই মোহনবাগানের কাছে কিছুই না। বড় মঞ্চে লড়ার অভিজ্ঞতাও নেই। তারপর ওদের দলের প্রধান দুই খেলোয়াড় - সেন্ট্রাল মিডিও তথা অধিনায়ক ডেভিড এবং গোলের মধ্যে থাকা বিদেশী স্ট্রাইকার সানডে নেই। কিন্তু ওদের আছে পাহাড়ি উচ্ছলতা, জেদ, দুরন্ত গতি আর কিছু করে দেখানোর তাগিদ। আই-লিগ চাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফসিকে ঘরে-বাইরে দাপটের সঙ্গে হারানো কিন্তু মুখের কথা নয়। তারপর দুর্ভেদ্য স্পোর্টিং গোয়ার রক্ষণকে গোল-গড়ে টেক্কা দেওয়াও তারিফজোগ্য। আইজলের ছেলেদের উদ্দম-ই সেই কঠিন কাজগুলো সহজে সাধ্ন করে আজ তাদের পৌঁছে দিয়েছে ফেড ফাইনালে। এআইএফএফের ভ্রান্ত এবং ফুটবল-বিরোধী নিয়মের করালগ্রাসে ওদের সদ্য অবনমন ঘটেছে আই-লিগ থেকে। তারই জবাব দেবার জন্য যেন ওরা বদ্ধপরিকর। আর তার সাথে তাদের কোচ জহর দাস যেন মোহনবাগানের সুখযাত্রায় 'বিভীষণ কাঁটা'। এই কাঁটাতেই বিদ্ধ হয়ে আই-লিগে প্রথম পরাজয় হয়েছিল দুর্দম বাগানের। বাগানের প্রাক্তন ফুটবলার, কোচ এবং সমর্থক ওই জহর নিশ্চয় সচেষ্ট হবেন আরো একবার তাঁর প্রিয় দলের মুখের গ্রাস কেড়ে নিতে। উনি পাশে পাবেন গুয়াহাটীতে উপস্থিত বিপুল উত্তরপূর্বাঞ্চলের দর্শকদের।
পক্ষান্তরে সবুজ-মেরুনেও রয়েছে আইজলের জন্য 'বিভীষণ কাঁটা'। মিজো তরুণ জেজে এই মরসুমে বাগান জার্সিতে নিজেকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন। একের পর এক গোল কুড়িয়ে মোহনজনতার আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন, এখনো রয়েছেন ফেডের শীর্ষ গোলদাতা। কাল নিশ্চয় উনি আরো গোলের সন্ধানে থাকবেন ফেডে রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে। তবে জেজেকে গোলের রাস্তা করে দেওয়ার জন্য প্রধান ভরসা সেই হাইতির সোনি নর্দে। ১৬ নম্বর জার্সির ক্যারিস্মা প্রমাণ করার আরো একবার দায়িত্ব সোনির কাঁধে। তাঁর ওই বাঁ-প্রান্তিক বিষাক্ত দৌড় দিয়ে মাইনাস, ক্রস বা দূরপাল্লার শট, ফ্রিকিক বা কর্নারের দিকে তাকিয়ে থাকবে আসমুদ্র-হিমাচল মোহনবাগানী। মাঠের মধ্যে যেমন ভরসা সোনি, মাঠের বাইরে তেমনি কোচ সঞ্জয় সেন। এই ডাকাবুকো বাঙালি ভদ্রলোকের হাত ধরে গতবারই মোহনবাগানের শাপমুক্তি ঘটেছিল তেরো বছর পর আই-লিগ পেয়ে। এবার তেরোর গেরো কাটিয়ে ফেড দেবার জন্য প্রধান ভরসা সেই তিনিই। টিমগেম, টিম-স্পিরিট এই তত্ত্বগুলি ওনার হাত ধরেই ফিরে এসছে আমাদের স্বাদের বাগানে। আর তারই ভিত্তিতে বাগানেরও লড়াই এআইএফএফ ও রেফারিদের ভ্রস্টামির বিরুদ্ধে। দলবদলের খোঁচা, স্পনসর সমস্যা এসব থেকে দূরে রেখে সোনি-কাটসুমিদের ফোকাস ঠিক রেখে সেই লড়াইয়ে সফলকাম হওয়াই এখন মোহনসারথী সঞ্জয়ের মূল লক্ষ্য।
প্রতিপক্ষ আইজল। নামে, ধারে, ভারে অবশ্যই মোহনবাগানের কাছে কিছুই না। বড় মঞ্চে লড়ার অভিজ্ঞতাও নেই। তারপর ওদের দলের প্রধান দুই খেলোয়াড় - সেন্ট্রাল মিডিও তথা অধিনায়ক ডেভিড এবং গোলের মধ্যে থাকা বিদেশী স্ট্রাইকার সানডে নেই। কিন্তু ওদের আছে পাহাড়ি উচ্ছলতা, জেদ, দুরন্ত গতি আর কিছু করে দেখানোর তাগিদ। আই-লিগ চাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফসিকে ঘরে-বাইরে দাপটের সঙ্গে হারানো কিন্তু মুখের কথা নয়। তারপর দুর্ভেদ্য স্পোর্টিং গোয়ার রক্ষণকে গোল-গড়ে টেক্কা দেওয়াও তারিফজোগ্য। আইজলের ছেলেদের উদ্দম-ই সেই কঠিন কাজগুলো সহজে সাধ্ন করে আজ তাদের পৌঁছে দিয়েছে ফেড ফাইনালে। এআইএফএফের ভ্রান্ত এবং ফুটবল-বিরোধী নিয়মের করালগ্রাসে ওদের সদ্য অবনমন ঘটেছে আই-লিগ থেকে। তারই জবাব দেবার জন্য যেন ওরা বদ্ধপরিকর। আর তার সাথে তাদের কোচ জহর দাস যেন মোহনবাগানের সুখযাত্রায় 'বিভীষণ কাঁটা'। এই কাঁটাতেই বিদ্ধ হয়ে আই-লিগে প্রথম পরাজয় হয়েছিল দুর্দম বাগানের। বাগানের প্রাক্তন ফুটবলার, কোচ এবং সমর্থক ওই জহর নিশ্চয় সচেষ্ট হবেন আরো একবার তাঁর প্রিয় দলের মুখের গ্রাস কেড়ে নিতে। উনি পাশে পাবেন গুয়াহাটীতে উপস্থিত বিপুল উত্তরপূর্বাঞ্চলের দর্শকদের।
পক্ষান্তরে সবুজ-মেরুনেও রয়েছে আইজলের জন্য 'বিভীষণ কাঁটা'। মিজো তরুণ জেজে এই মরসুমে বাগান জার্সিতে নিজেকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন। একের পর এক গোল কুড়িয়ে মোহনজনতার আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন, এখনো রয়েছেন ফেডের শীর্ষ গোলদাতা। কাল নিশ্চয় উনি আরো গোলের সন্ধানে থাকবেন ফেডে রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে। তবে জেজেকে গোলের রাস্তা করে দেওয়ার জন্য প্রধান ভরসা সেই হাইতির সোনি নর্দে। ১৬ নম্বর জার্সির ক্যারিস্মা প্রমাণ করার আরো একবার দায়িত্ব সোনির কাঁধে। তাঁর ওই বাঁ-প্রান্তিক বিষাক্ত দৌড় দিয়ে মাইনাস, ক্রস বা দূরপাল্লার শট, ফ্রিকিক বা কর্নারের দিকে তাকিয়ে থাকবে আসমুদ্র-হিমাচল মোহনবাগানী। মাঠের মধ্যে যেমন ভরসা সোনি, মাঠের বাইরে তেমনি কোচ সঞ্জয় সেন। এই ডাকাবুকো বাঙালি ভদ্রলোকের হাত ধরে গতবারই মোহনবাগানের শাপমুক্তি ঘটেছিল তেরো বছর পর আই-লিগ পেয়ে। এবার তেরোর গেরো কাটিয়ে ফেড দেবার জন্য প্রধান ভরসা সেই তিনিই। টিমগেম, টিম-স্পিরিট এই তত্ত্বগুলি ওনার হাত ধরেই ফিরে এসছে আমাদের স্বাদের বাগানে। আর তারই ভিত্তিতে বাগানেরও লড়াই এআইএফএফ ও রেফারিদের ভ্রস্টামির বিরুদ্ধে। দলবদলের খোঁচা, স্পনসর সমস্যা এসব থেকে দূরে রেখে সোনি-কাটসুমিদের ফোকাস ঠিক রেখে সেই লড়াইয়ে সফলকাম হওয়াই এখন মোহনসারথী সঞ্জয়ের মূল লক্ষ্য।
অগণিত সদস্য-সমর্থকের মত আমারও বিস্বাস সোনি-সঞ্জয় জুটি পারবে। পারবে টিম মোহনবাগান আমাদের স্বপ্নকে আবারো বাস্তব করতে।
...
শুভাগত চন্দ্র

No comments:
Post a Comment