এই মুহূর্তে ১৪তম ফেডারেশন কাপ জয় থেকে আর একধাপ দূরে মোহনবাগান। সেমিতে লাজংকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে সবুজ-মেরুন। প্রতিপক্ষ হিসেবে লাজং না হয়ে চিরশত্রু ইস্টবেঙ্গল হলেও হয়ত একই ফল হত সোনি-জেজেদের তেজে। এরকমই দাপট দেখিয়ে ২৫ বছর আগে, ১৯৮১-র এরকমই আর এক মে মাসেই ডার্বিতে মজিদ-জামশিদদের লাল-হলুদ কে ২-০ ব্যবধানে ফেড সেমিফাইনালে পরাস্ত করে ফাইনালে উঠেছিল শিবাজী-বাবলু-কম্পটন-গৌতম-উল্গাদের মোহনবাগান। আর রেকর্ড বলছে সেবার ফাইনালে বাগান কলকাতার অপর প্রধান মানস-বিদেশ-প্রসূন সমৃদ্ধ মহামেডানকেও ২-০ হারিয়ে চাম্পিয়ন হয়।
মানস চক্রবর্তীর "মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল রেষারেষি" বইতে পাওয়া গেলো সেই বড় ম্যাচেরই একটি দুর্দান্ত রিপোর্ট। রূপক সাহার লেখাটি আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। নিজে ইস্ট-সমর্থক বলে সুবিদিত হয়েও রূপক বাবু এক জায়গায় লিখছেন মোহনবাগানকে একটি ন্যায্য গোল থেকে বঞ্চিত করেন রেফারি হাকিম। নাহলে সেদিন ফল ৩-০ হত।
আপামর মোহন-সমর্থকদের সেই সুখস্মৃতি উস্কে দেবার জন্য রইল সেই ম্যাচ রিপোর্ট। আশা রাখি, এবারের ফাইনালেও সেই 'আনন্দধারা' বজায় থাকবে।
মানস চক্রবর্তীর "মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল রেষারেষি" বইতে পাওয়া গেলো সেই বড় ম্যাচেরই একটি দুর্দান্ত রিপোর্ট। রূপক সাহার লেখাটি আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। নিজে ইস্ট-সমর্থক বলে সুবিদিত হয়েও রূপক বাবু এক জায়গায় লিখছেন মোহনবাগানকে একটি ন্যায্য গোল থেকে বঞ্চিত করেন রেফারি হাকিম। নাহলে সেদিন ফল ৩-০ হত।
আপামর মোহন-সমর্থকদের সেই সুখস্মৃতি উস্কে দেবার জন্য রইল সেই ম্যাচ রিপোর্ট। আশা রাখি, এবারের ফাইনালেও সেই 'আনন্দধারা' বজায় থাকবে।
...
শুভাগত চন্দ্র
No comments:
Post a Comment